মুন্নু ফ্যাব্রিকসের ঋণমান ‘এ’

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি মুন্নু ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-২’।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি মুন্নু ফ্যাব্রিকস লিমিটেডের সার্ভিলেন্স রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) মুন্নু ফ্যাব্রিকসের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ পয়সায়। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৪২ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে মুন্নু ফ্যাব্রিকসের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১০ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৫ টাকা ৪১ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। তালিকাভুক্তির পর এর আগে কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ২৫ টাকা ৪২ পয়সায়।

১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মুন্নু ফ্যাব্রিকসের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১১৫ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৪০ কোটি ১৬ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১১ কোটি ৫০ লাখ। এর মধ্যে ৩০ দশমিক ৯০ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে, ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী, ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ বিদেশী বিনিয়োগকারী ও বাকি ৫৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে।

ডিএসইতে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ১৬ টাকা ৫০ পয়সা। গত এক বছরে শেয়ারটি ১৩ টাকা ৩০ থেকে ২৮ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।

আরও